বসুন্ধরার প্লট বুঝে নিয়ে গাড়ি পেলেন শেবা

bg-lotari-20130530010525[1]

ঢাকা: বুঝিয়ে দেওয়া হলো ‘বসুন্ধরা আবাসন মেলা ২০১২’ এ বুকিং দেওয়া প্লট নাম্বার। এর ফলে মাত্র সাত মাসেই গ্রাহকদের প্লট নাম্বার নির্ধারণ করে দেওয়া হলো। প্রায় সাড়ে ১৬শ’ প্লট ক্রেতার মধ্যে লটারির মাধ্যমে মেলার অন্যতম আকর্ষণ গাড়ি জিতেছেন সৈয়দা ফারজানা আক্তার শেবা।

বসুন্ধরা আবাসিক প্রকল্প-প্লট বাছাই পর্ব-২০১৩ এবং সৌভাগ্যের চাবি পেয়ে যাবেন আজই শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্লট নির্ধারণ লটারি এবং লটারির মাধ্যমে গাড়ির বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

বৃহস্পতিবার বসুন্ধরা কনেভেনশন হল-২ এ সকাল সাড়ে ১০টায় এ অনুষ্ঠান শুরু হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক কালের কণ্ঠের সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন।

তিনি বলেন, “কয়েক বছর হলো বসুন্ধরা গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত হয়েছি। গ্রুপের লক্ষ্য দেশ ও মানুষের কল্যাণ। আপনারা যারা প্লট কিনে বসুন্ধরার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন তারা এখন আরও ভালোভাবে বুঝবেন দেশ ও মানুষের কল্যাণ কীভাবে হচ্ছে। সারা বিশ্বের মানুষ, বিশেষ করে বাঙালিদের কাছে বসুন্ধরা গ্রুপ শ্রদ্ধা ও সম্মানের নাম।”

ইমদাদুল হক মিলন বলেন, “বসুন্ধরার জমিই সেনার চাবি। অন্য আবাসনে শুনেছি প্লট কিনে ১০ বছরেও বুঝে পান না।। বসুন্ধরায় এক্ষেত্রে কোনো সমস্যা নেই।”

তিনি আরও বলেন, “বসুন্ধরা গ্রুপের ইস্ট-ওয়েস্ট মিডিয়া হাউসের চারটি জনপ্রিয় দৈনিক পত্রিকা রয়েছে। বাংলাদেশ প্রতিদিন এখন দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক। দৈনিক কালের কণ্ঠ জনপ্রিয়তা এবং প্রচার সংখ্যায় রয়েছে তৃতীয় অবস্থানে। দেশের জনপ্রিয় ও বৃহত্তম অনলাইন নিউজপোর্টাল বাংলানিউজের প্রতিদিনের হিট ছয় কোটির বেশি। আর ইংরেজি দৈনিক ডেইলি সানও সমান জনপ্রিয়।”

bashundhara-lotari0220130530010756[1]

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- বসুন্ধরা গ্রুপের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম শামিম, উপদেষ্টা (তথ্য ও গণমাধ্যম) মোহাম্মদ আবু তৈয়ব, জ্যেষ্ঠ নির্বাহী পরিচালক (বিক্রয় ও বিপণন) বিদ্যুৎ কুমার ভৌমিক, বির্বাহী পরিচালক (বিক্রয় ও বিপণন) তৌহিদুল ইসলাম, জেষ্ঠ্য নির্বাহী পরিচালক লিয়াকত হোসেন এবং নির্বাহী পরিচালক (মানবসম্পদ ও প্রশাসন) ক্যাপ্টেন শেখ আহসান রেজা।

অনুষ্ঠানে ‘বসুন্ধরা আবাসন মেলা ২০১২’-তে বুকিং দেওয়া ৩ ‍ও ৫ কাঠার প্লট নাম্বার লটারির মাধ্যমে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

জ্যেষ্ঠ নির্বাহী পরিচালক (বিক্রয় ও বিপণন) বিদ্যুৎ কুমার ভৌমিক বলেন, “আজকের আয়োজন নতুন কিছু নয়। ১৯৯৭ সালে লটারির মাধ্যমে প্লট নির্ধারণ শুরু করে বসুন্ধরা গ্রুপ। তবে আজকের আয়োজনটা একটু ভিন্ন। বাড়ির সঙ্গে পেলেন গাড়ি।”

bashundhara-lotari0120130530010804[1]

বসুন্ধরা গ্রুপের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম শামিম বলেন, “বসুন্ধরার লটারি অন্য লটারির মতো নয়। এখানে লটারি মানে নিশ্চিত কোটিপতি হওয়ার লটারি। প্লট বুঝে নিয়ে প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং সুযোগ সুবিধা নিয়ে বুঝবেন আপনারা কতটা লাভবান হলেন।”

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ‘বসুন্ধরা আবাসন মেলা ২০১২’ এ প্লট ক্রেতাদের মধ্যে লটারি, যার প্রথম পুরস্কার ছিল ২০০০ সিসির মিতশুবিশি ল্যান্সার ইএক্স গাড়ি। লটারিতে গাড়িটি জিতে নিয়েছেন প্লট পি-৪ ৮৩৩ এর সৌভাগ্যবতী সৈয়দা ফারজানা আক্তার শেবা। জানুয়ারি মাসে তিনি প্লটটি কেনেন। লটারির নাম্বারটি তোলেন প্রধান অতিথি ইমদাদুল হক মিলন।

সবুজের আবাসন প্রকল্পে ৫লাখ টাকা ছাড়ে প্লট বিক্রি করা হয়। প্লট বিক্রি হয় এক, দুই ও তিন ইউনিটের। ৩ ও ৫ কাঠার প্লটের লটারি আলাদাভাবে অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমে অনুষ্ঠিত হয় ৩ কাঠার। বেলা সাড়ে ১২টায় শুরু হয় ৫ কাঠার প্লটের লটারি।

Have your say